ইএমআইএস: নকশা ও বাস্তবায়ন – পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শকের দৃষ্টিতে: সাক্ষাৎকার – ১

ইএমআইএস: নকশা ও বাস্তবায়ন – পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শকের দৃষ্টিতে: সাক্ষাৎকার – ১

২০১৫ সালে টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল এবং হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায় পাইলট বাস্তবায়নের মাধ্যমে ইএমআইএস-এর যাত্রা শুরু। ইএমআাইএস একগুচ্ছ এ্যাপ এবং ওয়েবভিত্তিক এপ্লিকেশনের সমন্বয়ে তৈরি একটি ডিজিটাল ইকোসিস্টেম বা প্রতিবেশ-ব্যবস্থা। পাইলট সফল হলে জেলা দুটির বাকি উপজেলাগুলোতে ইএমআইএস-এর সম্প্রসারণ করা হয়। ২০১৮ সালের পর থেকে ক্রমান্বয়ে ইএমআইএস-এর পরিসর বাড়তে শুরু করে এবং ২০১৯ সালের শেষে ইএমআইএস বাস্তবায়িত হয়েছে এমন জেলার সংখ্যা দাঁড়ায় ৩২, যা দেশের মোট জেলাগুলোর ৫০%।

এই সময়গুলোতে ব্যবহারকারীরা ইএমআইএস-এর যাত্রায় সামিল ছিলেন। তারা এ্যাপ/এপ্লিকেশনগুলো ব্যবহার করেছেন। কোন দুর্বলতা থাকলে সেগুলো চিহ্নিত করেছেন। মান উন্নয়নের জন্য যথাযথ পরামর্শ দিয়েছেন। এক কথায়, সফটওয়ারের ব্যবহারযোগ্যতা বাড়াতে তারা যথেষ্ট ভূমিকা রেখেছেন। অন্যদিকে, তারা এর বিবর্তনও লক্ষ্য করেছেন। এ প্রেক্ষাপটে, আমরা কয়েকজন ব্যবহারকারীদের কাছে কিছু প্রশ্ন রেখেছিলাম। উদ্দেশ্য ছিল, এ্যাপ/সফটওয়ার উদ্ভাবন ও নকশা প্রণয়নে তাদের কতটুকু সম্পৃক্ততা ছিল এবং সেগুলোর প্রচলন ও মান উন্নয়নে তাদের কি ভূমিকা ছিল কিনা সে সম্পর্কে জানা।

জনাব কামাল মিয়া, হবিগঞ্জ জেলার হবিগঞ্জ সদর উপজেলার গোপায়া ইউনিয়নে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক  পদে কর্মরত আছেন। আমাদের প্রশ্ন ও তাঁর প্রদত্ত উত্তর এখানে সন্নিবেশ করা হল। সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেছেন জনাব কাজী মোহাম্মদ ওবায়দুল হক।

প্র: আপনি তো ইএমআইএস বাস্তবায়নের সাথে অনেকদিন ধরে সম্পৃক্ত রয়েছেন। ইএমআইএস নিয়ে আপনার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে একটু জানতে চাই। ইএমআইএস-এর শুরুর দিকটা কেমন ছিল, যদি বলেন।

উত্তর: হবিগঞ্জের একটি উপজেলায় প্রথম পাইলট শুরু হয় ২০১৫ সালে। ২০১৭ সালের মধ্যে হবিগঞ্জের আটটি উপজেলায় আরএইচআইএস চালু হয়। মামনি থেকে আমাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছিল। তখন প্রকল্পের নাম ছিল আরএইচআইএস। অর্থাৎ তখন ইএমআইএস নয়, আরএইচআইএস বলা হত।

প্র: আপনি কোন পর্যায় থেকে যুক্ত হলেন?

উ: ২০১৭ সালের মাঝামাঝি হবিগঞ্জের সব উপজেলায় কমিউনিটি সিস্টেম চালু করা হয়। তখন থেকেই আমি এই উদ্যোগের সাথে সম্পৃক্ত।

প্র: শুরুতে আপনাদের ট্যাব দিয়ে কাজ করতে কেমন লেগেছিল?

উ: সত্যি বলতে কি, শুরুতে অনেক ভয়, অনেক দ্বিধা ছিল। আমরা ভেবেছিলাম, এটার ভবিষ্যৎ কি? আমরা কি সফল হতে পারবো! আমাদের কিছু সহকর্মী শিক্ষায় কিছুটা পিছিয়ে ছিলেন। তাঁরা সকলে নতুন পরিবেশের সাথে কতটুকু মানিয়ে নিতে পারবেন, সে নিয়ে আমাদের ভাবনা ছিল। পরে দেখা গেছে, কাজ শুরুর পর আমাদের কিছু সহকর্মী চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। তাদের কারো পাঁচ বছর, কারো সাত বছর, কারো এক বছর, কারো দুই বছর পর্যন্ত চাকরি ছিল। তাদের ছিল ট্যাবের ভয়। কারণ, ট্যাবে কিভাবে কাজ করতে হবে, কিভাবে এন্ট্রি দিবে — সেগুলো নিয়ে তাদের সংশয় ছিল। যাই হোক, এর মধ্যে আমাদের কমিউনিটি সিস্টেম চালু হয়ে গেল।

সকলে নতুন পরিবেশের সাথে কতটুকু মানিয়ে নিতে পারবেন, সে নিয়ে আমাদের ভাবনা ছিল। পরে দেখা গেছে, কাজ শুরুর পর আমাদের কিছু সহকর্মী চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। তাদের কারো পাঁচ বছর, কারো সাত বছর, কারো এক বছর, কারো দুই বছর পর্যন্ত চাকরি ছিল। তাদের ছিল ট্যাবের ভয়।

প্র: শুরুতে বাস্তবায়ন টিম বা প্রোগ্রামাররা আপনাদের সাথে কিভাবে সংযোগ স্থাপন করেছেন?

উ: আমাদের বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিল মামনি। তারা হবিগঞ্জে ইএমআইএস বাস্তবায়নে যথেষ্ট পরিশ্রম করেছেন। কাজ করেছেন অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে। আমাদের সাথে উনারা ফিল্ডে গেছেন, সভায় অংশগ্রহণ করেছেন। আমাদের প্রশিক্ষণও তারা দিয়েছেন।

প্র: তার মানে কি, ওদের সাথে আপনাদের অব্যাহত যোগাযোগ ছিল?

উ: তাদের সাথে আমাদের বেশ ঘনিষ্ট যোগাযোগ ছিল। গ্রামেও তাদের যথেষ্ট জনপ্রিয়তা ছিল। যদিও আমি সরকারি লোক, বলতে বাধা নেই, গ্রামে আমাকে দেখলে অনেকে বলত মামনির স্যার আসছে। এতেই বোঝা যায়, গ্রামের জনগণের মাঝেও তাদের ভাল একটা অবস্থান ছিল। ওদের সাথে কাজ করে আমাদের অন্য দিক থেকেও উপকারও হয়েছে, আমরা স্থানীয় সরকারের কার্যক্রমের সাথেও অনেক বেশি সম্পৃক্ত হয়েছি।

প্র: এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের সময় নিশ্চয়ই আপনাদের ছোট-বড় অনেক সমস্যা হয়েছে। ট্যাবলেটের সমস্যা, কারিগরি অন্য কোন সমস্যা। তখন কি করেছেন?

উ: আমরা সমস্যাগুলো বাস্তবায়নকারীদের জানিয়েছি। হবিগঞ্জ জেলার মধ্যে বোধ হয়, আমিই তাদের সাথে সবচেয়ে বেশি যোগাযোগ স্থাপন করেছি, ছোট-বড় সব সমস্যা নিয়মিত জানিয়েছি, তার বিপরীতে তাদের সহযোগিতাও পেয়েছি।

প্র: উনারা আপনাদের সমস্যা কি ভালোভাবে বুঝতে পারতেন? আপনাদের সমস্যাগুলোর সমাধানে তাদের তৎপরতা কেমন ছিল?

উ: আমাদের সমস্যা তারা ভালই বুঝতে পারতেন। সম্ভব হলে স্থানীয়ভাবে সমাধান দিয়েছেন। আমরা অনেকেই সম্মিলিতভাবে বা ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করতাম। আমরা প্রতি মাসে দুটি মিটিং করি। ইউনিয়ন পর্যায়ে। আমরা পাক্ষিক সভায় বসে একজন একজন করে সমস্যাগুলো বলতাম। তারপর জেলা পর্যায়ের সাথে শেয়ার করতাম। তারা সেগুলো যথাস্থানে জানাতেন। আমাদের ফেসবুক গ্রুপেও আমি লেখালেখি করছি। বিভিন্ন উপজেলায় আমাদের কিছু গুণী ব্যক্তি আছেন, তাদের মতামত নিতাম। আমি এখনো আমাদের কর্মীদের সাথে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করি।

প্র: কি মনে হয় আপনার? আপনাদের ফিডব্যাকের মাধ্যমে কোন কাজ হয়েছিল কি?

উ: হয়েছিল। তারা আমাদের মতামতগুলো শুনেছেন। পিআরএস করার সময় সার্ভার সংক্রান্ত অনেক সমস্যা ছিল। আমাদের রেজিস্টারে কিছু গ্যাপ আছে। আমাদের ইউনিয়নে আছে ১৬টি গ্রাম। কিন্তু বিবিএস-এর জিওকোডে পাওয়া গিয়েছিল ১৫টি। যাই হোক, রেজিস্টার অনুযায়ী ১৬টি গ্রাম। আমরা ছোট ছোট পাড়া ভাগ করে কাজগুলো করি। তখন দেখা গেল, আমার একটি গ্রাম কমে গেছে। আবার অনেক সময় খানার এন্ট্রি করার পর ডাটা হারিয়ে গেছে। যেগুলো স্থানীয় পর্যায়ে সম্ভব, সেগুলো তাঁরা তাৎক্ষণিক সমাধান করেছেন। প্রয়োজনে ঢাকার সাথে যোগাযোগ করেছেন সমাধানের জন্য।

প্র: আপনারা কি সফটওয়ার উন্নয়নের জন্য কখনো কোন পরামর্শ দিয়েছিলেন? সেগুলো তারা কিভাবে গ্রহণ করেছিলেন।

উ: পরামর্শ দিয়েছি। তবে সফটওয়ারের সমস্যার জন্য ঢাকায় যোগাযোগ করার পর কিছুটা সময় লাগত। কারণ আমাদের মনে হয়েছে, তাদের তো অনেক কাজ করতে হতো। কোনটা আগে, কোনটা পরে সমাধান হয়েছে।

প্র: আগে আপনারা কাজ করতেন কাগজের রেজিস্টার ব্যবহার করে, এখন তার বদলে এ্যাপ ব্যবহার করছেন। আপনাদের খাতাপত্র যে এভাবে এ্যাপে রূপান্তরিত হলো– তা কি ভালো হলো, নাকি তেমন কিছুই পরিবর্তন হয় নি।

উ: ঐ যে আগে বললাম, আমাদের ভয় ছিল, তবে তা দ্রুতই কেটে যায়। অনেক সহকর্মীকে আমরা হারিয়েছি। তবে এখন বলতে পারি, যারা দক্ষতার দিক থেকে পুরোনোরা মোটেই পিছিয়ে নেই। তরুণদের সাথে তাদের কাজের গুণগত কোন পার্থক্য নেই। আমার ইউনিয়নেএকজন পরিবার কল্যাণ সহকারী আছেন, তাঁর নাম হালিমা খাতুন। তাঁর হার্ড কপি, সফট কপি মেলালে দেখা যায়, সব দু’ক্ষেত্রেই একই। তাঁর সব রিপোর্টও তিনি দ্রুত সাবমিট করেন। তিনি সব কাজ শতভাগ এ্যাপে সম্পন্ন করছেন। অথচ তাঁর চাকরি বাকি আছে আর মাত্র দেড় বছর।

অনেক মানুষ মনে করে, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর কি কাজ করে, দেখি না তো। এখন আমরা যে কাজ করি, তা হাতে কলমে বাস্তবে প্রমাণ করে দিতে পারবো। আমাদের তথ্য আমাদের হাতের মুঠোয়। আমরা ইউনিটে কতজন দরিদ্র মা আছে, কতজন প্রতিবন্ধী শিশু আছে, কতগুলো তালাকপ্রাপ্ত মহিলা আছে এ তথ্য আমরা জানতে পারি।

প্র: তার মানে হচ্ছে, এখন আপনারা এ্যাপে কাজ করতে পুরোপুরি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন?

উ: অবশ্যই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। আগে রেজিস্টার বহন করতে হতো, পাতা উল্টিয়ে উল্টিয়ে ক্লায়েন্টকে খুঁজতে হতো। খাতা কলমে লিখতো হতো। এখন রহিমা খাতুনের (একজন সেবা গ্রহীতা) ডাটা সাার্চ করেই তার যাবতীয় তথ্য পাচ্ছি। কি পদ্ধতি দেবো, কি কাউন্সেলিং করবো — সব নির্দেশনা এ্যাপ থেকেই পাচ্ছি।

প্র: ২০১৫ সালের তুলনায় সফটওয়ার কি উন্নত হয়েছে?

উ: ২০১৭ সালে আমরা শুরুতে পিআরএস-এর কাজ করেছি। এখন দম্পতি রেজিস্ট্রেশন করছি। পুষ্টি সেবা দিচ্ছি। পিআরএস-এর তথ্য আপডেট করছি। খানার আর্থ-সামাজিক অবস্থার তথ্য আপডেট করছি। মৃত্যুর রেকর্ড রাখছি। খানা থেকে সদস্যকে স্থানান্তর (মাইগ্রেট) করছি। গর্ভবতীকে আলাদাভাবে আইডেন্টিফাই করে সেবা দিচ্ছি। সে যে সেবা নিচ্ছে, তার এন্ট্রি রাখছি।

প্র: এখন কাজ করতে গিয়ে নতুন কোন সমস্যার উদ্ভব হচ্ছে কি?

উ: আমাদের এখনকার সমস্যা হচ্ছে অন্য রকম। অনেক সময় ডাটা সিঙ্ক করে কোন তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে দেখতে চাইলে দেখতে পারছি না। আমাদের ট্যাবগুলো পুরোনো হয়ে গেছে। এটা একটা সমস্যা। আমাদের এক কর্মীর গ্রামের খানা দেখা যাচ্ছে না।

প্র: এখন কি এ্যাপ সংক্রান্ত সমস্যা বেশি, নাকি ইন্টারনেট সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে বেশি ভুগতে হয়।

উ: এখনকার সমস্যা ভিন্ন ধরনের। প্রথমত, ট্যাব পুরোনো। দ্বিতীয়ত, ইন্টারনেটের সমস্যা। তৃতীয়ত, এ্যাপ বা সার্ভারের সমস্যাও আছে — এ্যাপে মাঝে মাঝে “ইএমআইএস হ্যাজ বিন স্টপড” এরকম প্রায়ই দেখায়।

প্র: আপনারা কি অফলাইনে সব কাজ করতে পারেন?

উ: অফলাইনের সুবিধা আছে, আবার কিছু অসুবিধাও আছে। যেমন আমি একটা ডাটা এন্ট্রি করলাম। অনেক সময় রাতে ডাটা সিঙ্ক করি। কোন কোন সময় দেখা যায়, ডাটা মিসিং। সব সময় অনলাইনে কাজ করতে পারলে এ রকম সমস্যা হয় না।

প্র: ইন্টারনেট যখন থাকে না, তখন তো অফলাইন ছাড়া বিকল্প নেই।

উ: হ্যাঁ, ইন্টারনেটের সমস্যা সারা দেশেই ব্যাপক। এটার সমাধানও আমাদের হাতে নেই।

প্র: ইএমআইএস একটি ইনোভেশন। এতে অনেক নতুনত্ব আছে, আছে উদ্ভাবন। নতুন পদ্ধতিতে কাজ করা কি আপনাদের জন্য সহজ হয়েছে, ফলাফল কি ভালো হয়েছে?

উ: এটা আমাদের জন্য শতভাগ ভালো হয়েছে। আমরা আসলে সৌভাগ্যবান। আমরা সারা দেশে সকল কাজকে পেপারলেস করতে পারবো। অনেকে মনে করে, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর কি কাজ করে, দেখি না তো। এখন আমরা যে কাজ করি, তা হাতে কলমে বাস্তবে প্রমাণ করে দিতে পারবো। আমাদের তথ্য আমাদের হাতের মুঠোয়। আমরা ইউনিটে কতজন দরিদ্র মা আছে, কতজন প্রতিবন্ধী শিশু আছে, কতগুলো তালাকপ্রাপ্ত মহিলা আছে  — এ তথ্য আমরা তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারি। তাদের সেবার চাহিদাও নির্ণয় করতে পারি।

আমরা সারা দেশে সকল কাজকে পেপারলেস করতে পারবো। অনেকে মনে করে, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর কি কাজ করে, দেখি না তো। এখন আমরা যে কাজ করি, তা হাতে কলমে বাস্তবে প্রমাণ করে দিতে পারবো। আমাদের তথ্য আমাদের হাতের মুঠোয়। আমরা ইউনিটে কতজন দরিদ্র মা আছে, কতজন প্রতিবন্ধী শিশু আছে, কতগুলো তালাকপ্রাপ্ত মহিলা আছে — এ তথ্য আমরা তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারি। তাদের সেবার চাহিদাও নির্ণয় করতে পারি।

প্র: ইএমআইএস কি আপনাদের সকল চাহিদা পূরণ করতে পেরেছে?

উ: অনেকগুলো পূরণ হয়েছে, ভবিষ্যতে আমাদের চাহিদা বাড়বে। ইএমআইএস সেগুলো পূরণ করবে, এই আমাদের প্রত্যাশা।

প্র: ইএমআইএস কি সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া উচিত?

উ: অবশ্যই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ২১ অনুযায়ী আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য কাজ করছি। দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। এক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতির বিকল্প নেই।

By |2020-12-03T00:20:42-06:00 Published on November 28, 2020| Updated on December 03, 2020|eMIS Users|1 Comment

One Comment

  1. Syed Salik December 6, 2020 at 7:49 am - Reply

    Excellent Interview.
    Thanks to FPi Mr Kamal and eMIS Team.

Leave A Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.